1. sumondomar2021@gmail.com : sumon islam : sumon islam
  2. info@www.newsibangla.com : news :
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন

ভূরুঙ্গামারীতে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

মনিরুল ইসলাম,ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম)
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৭০ বার পড়া হয়েছে

মনিরুল ইসলাম,ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দেশের প্রথম হানাদারমুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্প অর্পণ, স্মৃতিচারন আলোচনা সভা ও গুনিজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ১৪ নভেম্বর প্রথম হানাদার মুক্ত হয়।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ১০টায় দিনটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের আয়োজনে উপজেলা চত্বর থেকে একটি র‍্যালী বের হয়ে উপজেলার গুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদিক্ষণ শেষে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পন করে র‍্যালী শেষ হয় ।

র‍্যালীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করে।

র‍্যালি শেষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স চত্তরে আলোচনা সভা, স্মৃতি চারন, গুনীজন সংবর্ধনা অনুষ্টিত হয়।

ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল হক এর সঞ্চালনায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ) উত্তম কুমার রায় ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার) রুহুল আমিন, এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম কুমার, জেলা পরিষদ সদস্য মাসুদা ডেইজি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুন্নবী চৌধুরী খোকন, ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন প্রমুখ।

এতে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আকতারুজ্জামান, সদ্য সাবেক উপজেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম মতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ সরকার, প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল হক ও প্রেসক্লাবের সম্পাদক এমদাদুল হক মন্টু প্রমুখ। পরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ ৭ জন ব্যক্তিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভূরুঙ্গামারী আক্রমনের পরিকল্পনা করার পর ৬ নং সেক্টর কমান্ডার এমকে বাশার, মিত্র বাহিনীর অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জোসি সহ উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ সাহেবগঞ্জ সাব-সেক্টরে আসেন। এসময় ভারতীয় ষষ্ঠ মাউন্টেন ডিভিশনের একটি ব্রিগেড ও বিএসএফের কয়েকটি কোম্পানী সামরিক সজ্জায় সজ্জিত হয়ে ভূরুঙ্গামারীর দক্ষিণ দিক খোলা রেখে পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তর দিক থেকে একযোগে আক্রমনের সিন্ধান্ত নেয়। পরিকল্পনা মোতাবেক ১৩ নভেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় বাহিনীর যৌথ নেতৃত্বে প্রবল আক্রমণ শুরু হয়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ি এর একদিন আগেই মিত্র বাহিনী ভারতের সাহেবগঞ্জ থেকে ভূরুঙ্গামারীতে কামান ও মর্টারের গোলা বর্ষণ সহ বিমান হামলা চালায়। ১৪ নভেম্বর ভোর হবার আগেই পাকবাহিনীর গোলা বর্ষণ বন্ধ হয়ে যায়। তারা পিছু হটে নাগেশ্বরী উপজেলার দিকে চলে যায়।

পরে মুক্তিবাহিনী ভোরে জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে সিও অফিসের (বর্তমান উপজেলা পরিষদ) সামনে চলে আসে এবং সেখানে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং