1. sumondomar2021@gmail.com : sumon islam : sumon islam
  2. info@www.newsibangla.com : news :
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শেকড়ের সন্ধানে শীর্ষক সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সপ্তম মিলনমেলা ফুলবাড়ীতে জাতীয় ভোটার দিবস পালিত কচুয়ায় খামারে অগ্নিসংযোগ এবং পুকুরে বিষ প্রয়োগ আগুনে পুড়ে মারা গেল মির্জাপুরের মেহেদী বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি’র নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর। নাঃগঞ্জে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বইমেলায় কবিদের উত্তরীয় দিয়ে বরণ। চিলাহাটিতে খাসি মোটাতাজকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল পদকে ভূষিত হলেন বরগুনার পুলিশ সুপার মোঃ আবদুস ছালাম নড়াইলের শান্তা সেনের মেডেকেল শিক্ষা জীবন সম্পন্ন করতে দারিদ্র বাবা-মায়ের দুঃশিন্তা রংপুরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামীর আমৃত্যু কারাদণ্ড

ফুচকার ইতিহাস

অনলাইন ডেক্স
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

এশিয়ার সেরা স্ট্রীট ফুড গুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের ফুচকা। ‘কোয়েস্টস ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ান্ডার সিরিজ’ এর অংশ হিসেবে এশিয়ার সেরা ৫০ এর তালিকায় ঠাই পেয়েছে এই ফুচকা।
বহু প্রাচীনকাল কিংবা উপকথা জুড়ে রয়েছে ফুচকার নাম। বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো ফুচকার হদিস মেলে প্রাচীন গ্রিসের পর্যটক মেগাস্থিনিস এর লেখা ইন্ডিকা বইয়ের পাতায়। এখানে প্রকাশ পেয়েছে ফুচকার কথা যা কিনা ২১০০ বছর আগে খাওয়ার চল ছিল। তবে অবশ্য এখনকা ফুচকার মতো আগেকার ফুচকা গুলো ছিল না।
ফুচকাকে নিয়ে আরো একটি বর্ণনা প্রচলিত রয়েছে। কিছু কিছু মানুষ দাবি করেন ফুচকার উৎপত্তি হয়েছে মহাভারতের দ্রৌপদীর মাধ্যমে। কুন্তীর জন্য নাকি দ্রৌপদী রাতের বেঁচে যাওয়া আলুর সবজি এবং আটার মন্ড দিয়ে ফুচকা তৈরি করতেন।
কলকাতার বিভিন্ন অলিতে গলিতে এভাবেই ফুচকা বিক্রি করা হয়। ভারতবর্ষে এই ফুচকা বিভিন্ন নামে সকলের কাছে পরিচিত। ফুলকি নামে ফুচকা কে ডাকত প্রাচীন মগধের লোকেরা।
বর্তমানে এখনো নেপাল এবং শ্রীলংকার বিভিন্ন জায়গায় ফুচকা কে ফুলকি নামেই চেনে অনেকে। এছাড়াও জম্মু-কাশ্মীর, হরিয়ানা, পাকিস্তান, ঝাড়খন্ড, মধ্যপ্রদেশ এবং নোয়াদিল্লীর লোকেরা এটিকে গোলগাপ্পা নামে ডাকে। নামের ক্ষেত্রে যেমন এটি বিচিত্র ঠিক তেমনি পরিবেশনের ক্ষেত্রেও আছে বৈচিত্র্যতা। কোন কোন স্থানে এখানে দেওয়া হয় টক পানি, খেজুরের পানি, পুদিনার পাতা গোলা, ধনিয়া পাতার চাটনি, কোথাও কোথাও আবার ঝাল ও টক মিশ্রণ।

ফুচকা বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় একটি স্ট্রেইট ফুড হিসেবে বিবেচ্য হলেও ১৯৪৭ সালের পূর্বে ফুচকার এত কদর ছিল না। এমনকি যারা ফুচকা খেতো তাদেরকে দেখা হতো বৈষম্যের চোখে। তাদেরকে উপহাস করে ‘ঘটি’ কিংবা ‘কেইশো’ বলে উপাধি দেওয়া হতো। ভারত বিভক্ত হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের অনেক বাসিন্দা বাংলাদেশে চলে আসেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা এদেশে ফুচকা কে জনপ্রিয় করে তোলেন তারা। ফুচকার এদেশের জনপ্রিয় হওয়ার সাথে সাথে এর বৈষম্য দূর হয়ে যায়।

পাকিস্তান থেকে অন্য স্থানে ফুচকার পার্থক্য মূলত এর মসলা পাতিতে। অস্ট্রেলিয়ার রান্না প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী এক মাস্টারশেফ কিশোয়ার ফুচকা পরিবেশনের মাধ্যমে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে বিচারকদের কাছে।
বর্তমান যুগে ফুচকা চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রযুক্তিও যোগ হয়েছে এতে সামাল দিতে। এক সূত্র হতে জানা গেছে, গুজরাটে নাকি এমন একটি বুথ তৈরি করা হয়েছে যেখানে টাকা দিলেই নাকি বেরিয়ে আসবে মসলাদার ফুচকা!

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং