1. info@www.newsibangla.com : news :
৫শ’ বছরের পুরোনো গোয়ালদী মসজিদ এখন কালের সাক্ষী - News i Bangla
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আতাউর রহমান মিল্টন বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত ডোমার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত সরকার ফারহানা আখতার সুমি চট্টগ্রামে র‌্যাবের পাতা ফাঁদে আঁটকে গেল ৪ চাঁদাবাজ নাজাত যেন মেলে নালিতাবাড়ীতে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের গণসংযোগ এক বছরের মাথায় চিলাহাটি এক্সপ্রেস কোচ লক্কড়ঝক্কড় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক/কর্মচারী যোগদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত গাজীপুরের শ্রীপুরে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চিলাহাটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা শেকড়ের সন্ধানে শীর্ষক সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সপ্তম মিলনমেলা

৫শ’ বছরের পুরোনো গোয়ালদী মসজিদ এখন কালের সাক্ষী

অপু
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

অপু (নারায়ণগঞ্জ) সোনারগাঁও প্রতিনিধি: বাংলার প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁয়ের পুরাকীর্তিও মধ্যে অন্যতম ৫শ’ বছরের পুরোনো গোয়ালদী মসজিদ। উপজেলার গোয়ালদি গ্রামে স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহর আমলে নির্মিত মসজিদটি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু। সুলতানি আমলের গৌরবোজ্জ্বল মুসলিম ঐতিহ্যেও অন্যতম সাক্ষী এ মসজিদ। সোনারগাঁয়ে যে সব মুসলিম স্থাপত্য রয়েছে, তার মধ্যে এই মসজিদটি সবচেয়ে আকর্ষণীয়।

জানা যায়, সোনারগাঁয়ে হোসেন শাহর রাজত¦ কালের যে সব শিলা লিপি পাওয়া যায়, তার মধ্যে এই মসজিদ সংলগ্ন
শিলা লিপি অন্যতম। ১৫১৯ সালে মোল্লা হিজাবর আকবর খান এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। এটি আলাউদ্দিন হোসেন শাহর (১৪৯৪-১৫১৯) রাজত্ব কালে নির্মিত। ভারতের গৌড়, পান্ডুয়া ও বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানের ইমারতের মতো এ মসজিদের ভেতর ও বাইরের দেয়ালে পাথর এবং ইটের ওপর আরব্য অলংকরণ লক্ষ করা যায়। এক গম্বুজ বিশিষ্ট এ মসজিদের চার কোনায় চারটি টাওয়ার রয়েছে। টাওয়ার গুলো সুলতানি রীতিতে তৈরি। মসজিদটির দেয়াল গুলো ১ দশমিক ৬১ মিটার প্রসস্ত। মসজিদে প্রবেশের জন্য পাঁচটি খিলান পথ রয়েছে। প্রধান প্রবেশ পথ বরাবর মূল মেহরাবটি অবস্থিত। এটি কালো পাথরের তৈরি। অন্য দুটি মেহরাব ইটের তৈরি। তবে কালের পরিক্রমায় মসজিদটি এখন অযত্নে-অবহেলায় রয়েছে। দেয়ালের ইট ও আস্থরণ খুলে পড়ে যাচ্ছে। খোদাইকৃত টেরাকোটা অলংকরণ ও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দেয়ালে জন্মাচেছ গাছ লতা গুল্ম। মসজিদটির মুল ফটক তালা বদ্ধ থাকলে ও খিলানের গ্রিলখুলে পড়ে আছে। দেয়ালে ও শ্যাওলা জমেছে। মসজিদের চার পাশে ঘাস-লতাপাতা বেড়ে ভৌতিক রূপ ধারণ করেছে। এখন মলিন মুখে নিঃসঙ্গ দাঁড়িয়েই সেই সোনালী যুগের স্মৃতির জানান দিচ্ছে। প্রত্নতত্ত অধিদপ্তর মসজিদের ইতিহাস সংবলিত সাইন বোর্ডে উল্লেখ করা হয়েছে, মোগল আমলে ঢাকায় রাজধানী স্থাপনের আগে সোনারগাঁয়ে বার ভূঁইয়া প্রধান ঈশাখাঁ,মুসাখাঁ ও এর আগের স্বাধীন সুলতানদের রাজধানী ছিল। রাজধানী ও রাজসভার জন্য মনোরম ইমারত ছাড়া ও মুসলিম শাসকেরা এখানে মসজিদ, খানকা ও সমাধি নির্মাণ করেন। তার মধ্যে এ মসজিদ অন্যতম। মসজিদের ছাদে একটি মাত্র গম্বুজ রয়েছে। মসজিদের দেয়াল প্রায় ৫ ফুট চওড়া। এস এম তাইফুর বিংশশতাব্দীর প্রথমার্ধে মসজিদটি পরিদর্শন কওে ছিলেন। তিনি মসজিদটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং এর পাথরের দরজা রয়েছে।

সাবেক উপজেলা ভাইস জাহাঙ্গীর হোসেন ভ’ইয়া বলেন, সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন পুরাকীর্তি পরিদর্শনে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটক এ মসজিদ পরিদর্শন না কওে চলে যান, এমনটা কখনো হয় না। সুলতানি আমলের গৌরবোজ্জ্বল মুসলিম ঐতিহ্যেও অন্যত মসাক্ষী এ মসজিদ।

গোপালদি গ্রামের বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন, গোয়লদি মসজিদটির কারণে আমরা এলাকাবাসী গর্ববোধ করি। ঐতিহাসিক এ পুরাকীর্তি দেখতে দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা এখানে ভিড় করেন।

প্রত্নতত্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলী বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে সরকার ঐতিহাসিক এ মসজিদের রক্ষণা বেক্ষণসহ সার্বিক বিষয়ে দেখভাল কওে আসছে। প্রত্নতত্ত অধিদপ্তর উদ্যোগী হয়ে মসজিদের ইতিহাস সাইনবোর্ড টাঙিয়ে উল্লেখ করেছে, যাতে এর ইতিহাসবিকৃত না হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং