1. sumondomar2021@gmail.com : sumon islam : sumon islam
  2. info@www.newsibangla.com : news :
সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন

প্রথম বুলেটিন পত্রিকায় মাদক সম্রাজ রঞ্জুর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর রঞ্জু আটক

মিঠু আহম্মেদ
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৬১৯ বার পড়া হয়েছে

মিঠু আহম্মেদ নারায়ণগঞ্জ :-১৯ নভেম্বর প্রথম বুলেটিন পত্রিকায় প্রকাশের পর অবশেষে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবির কাছে গ্রেফতার হলো নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৭নং ওয়ার্ডের পাইকপাড়া বড় কবরস্থান ও ছোট কবরস্থান দখল করে মাদক সম্রাজ তৈরি করা পাইকপাড়া দেওয়ান বাড়ির খলিল মিয়ার ছেলে রমজান হোসেন রঞ্জু। গত ১০ জানুয়ারী দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি পুলিশের একটি অভিযানিক দলের সদস্য এস আই জহিরের নেতৃত্বে অভিযানে তিন গ্রাম হেরোইন সহ আটক হয়।পরর্বতিতে ১১ জানুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার নিয়মিত আইনে একটি মাদক মামলায় মহামান্য আদালতে প্রেরন করে। বর্তমানে মাদক সম্রাজ রঞ্জু নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে মহামান্য আদালতের নির্দেশে প্রেরন করা হয় বলে নিশ্চিত করেন ডিবি পুলিশের এস আই জহির। নিম্নে ১৯ নভেম্বর প্রথম বুলেটিন পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজ টি হুবহু তুলে ধরা হলো।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৭নং ওয়ার্ডের পাইকপাড়ায় মুলত দুইটি কবরস্থান রয়েছে। যার একটি ১৭নং ওয়ার্ডের ছোট কবরস্থান নামে ও ওপরটি পাইকপাড়া বড় কবরস্থান নামে পরিচিত। এই দুই টি কবরস্থানে মৃতদের মাটি দিয়ে থাকেন আশে পাশের আরো কয়েটি ওয়ার্ডের জনগন।

এখন নানা ভাবেই ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে কবরস্থানে আসা লোকজনের ও এলাকাবাসীর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক লোক জানান যে আমরা পাইকপাড়া এলাকার স্থায়ি বাসিন্দা আমরা ছোট থেকেই দেখে আসছি আমদের এলাকাতে থাকা পাইকপাড়া ছোট কবরস্থান ও পাইকপাড়া বড় কবরস্থানে নানা এলাকার মানুষ মৃত্যু বরন করলে এখানে মাটি দিতে আসে। কোন দিন কোনো এলাকার মানুষ এমন ভোগান্তির শিকার হতে হয়নি যা এখন এখনার মাদক বানিজ্যের কারনে হতে হচ্ছে মাটি দিতে আসা লোকজনের।

প্রতিবেদকের করা এক প্রশ্নের জবাবে আরো জানান যে আপনি যেই প্রশ্নটি করলেন যে তাহলে কারা এই পবিত্র স্থানটি কে মাদকের আখরা বানিয়েছে।

পাইকপাড়া ছোট কবরস্থান ও পাইকপাড়া বড় কবরস্থানের উভয় জায়গায় একইভাবে মাদক কারবারি করে আসছেন পাইকপাড়া এলাকার কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি রা যারা এই এলাকা দুইটি কে মাদকে হাট বাজার বানিয়েছে এদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি মানুষ মারা গেলে যেই জায়গায় চিরতরে রাখা হবে সেই জায়গা টি।

পাইকপাড়া ছোট কবরস্থান এলাকায় কবরস্থান কে ঘিরে মাদক বানিজ্য করেন এই এলাকার সানু,মিয়ার ছেলে রিকু ও পাইকপাড়া বড় কবরস্থানে মাদক বানিজ্য করেন পাইকপাড়া দেওয়ান বাড়ির খলিল মিয়ার দুই ছেলে রঞ্জু ও ইমন।

এদের প্রত্যেকের নিজস্ব বাহিনী রয়েছে যাদের মাধ্যমে তার মাদক কারবারি করেন।

এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে প্রতিবেদক অনুসন্ধান করলে উঠে আসে আরো অনেক অজানা রহস্য।

অনুসন্ধানে উঠে আসে পাইকপাড়া ছোট কবরস্থান এলাকার চিন্তিত মাদক কারবারি রিকু একজন বেশ বড় মাপের মাদক এর ডিলার ২০১৪,একবার রিকু গ্রেরেফতার হয় এবং ২০১৭ সালে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ এই রিকু ও তার সহযোগী টুটুল কে প্রায় ৪০ হাজার পিস ইয়াব সহ কারে গ্রেফতার করে সে সময় রিকু সুকৌশলে বেরিয়ে আসলেও আটকা পড়ে তার সহযোগী টুটুল নামে একজন বর্তমানে টুটুল জামিনে বের হয়ে আবার রিকুর মাদক বানিজ্যে নিজেকে জরিয়েছেন বলে জানা গেছে । টটুল ও রিকুর এই মাদক সহ আটকের বিষয়টি সে সময় নারায়ণগঞ্জে বেশ আলোরোন হয়েছিলো। তার পরেও রিকু আবারো তার মাদক বানিজ্য করেই যাচ্ছেন। এখন তার দখল থেকে রেহাই পাচ্ছে না পবিত্র স্থান পাইকপাড়া ছোট কবরস্থান।

অন্য দিকে পাইকপাড়া বড় কবরস্থান রয়েছে পাইকপাড়া দেওয়ান বাড়ির খলিল মিয়ার দুই ছেলে রঞ্জু ও ইমনের মাদক বানিজ্যের দখলে।

রঞ্জুর পুরো নাম রমজান হোসেন রঞ্জু এলাকাতে তাকে রঞ্জু বলেই সকলে চিনে মাদক কারবারি দের কাছে রঞ্জু বলেই তিনি পরিচিত। রঞ্জু ছোট ভাই ইমন যাকে সকলে দেওয়ান বাড়ির ইমন বললেই চিনে থাকে। এদের দুই জনের রয়েছে একাদিক মামলা তার মধ্যে উল্লেখ রঞ্জুর নামে নিজ স্ত্রী হত্যা সহ আলোচিত চোক্কা সুমন মার্ডার মাললার প্রধান আসামিও এই মাদক কারবারি রঞ্জু। স্ত্রী হত্যা মামলায় জামিনে আছে ও চোক্কা সুমন হত্যা মামলার প্রধান আসামি হয়েও পেশি শক্তি ও অবৈধ মাদক কারবারের অর্থ ব্যয় করে আপোষ করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়।

রঞ্জুর মাদক বানিজ্য বড় কবরস্থানের পাশে থাকা পুকুর পাড় ও টিনের মসজিদের সমগ্র এলাকাতে। এখানে রঞ্জু নিযুক্ত আছে মাদক বিক্রির জন্য অনেক জন মাদক বিক্রেতা যারা দিন রাত সকল সময়েই বিক্রি করেন পাইকপাড়া বড় কবরস্থানের পাশে এই মরন নেশা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার জানান যে আমাদের এলাকায় মৃতব্যক্তির লাশ মাটি দিতে আসে আশেপাশে থাকা আরো কয়েটি এলাকার মানুষ। বর্তমানে আমাদের পাইকপাড়া বড় কবরস্থানে রঞ্জু ও ইমনের মাদক বানিজ্যের কারনে বিভিন্ন সময় মাটি দিতে আসা লোকজনের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছেন কিছু দিন আগে দেওভোগ এলাকা থেকে মাটি দিতে আসা লোকজনের কাছে থেকে তাদের মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে গেলো যা কোনোদিন আমাদের এলাকায় হয় নি এখন রঞ্জু ও ইমনের মাদক বানিজ্যের জন্য হচ্ছে।

একই সাথে এরা আমাদের এলাকাকে কলঙ্কিত করেছ অন্য দিকে পাইকপাড়া বড় কবরস্থান এলাকার যুবসমাজ কেও এরা নষ্ট করছে। এতে আমরা আমাদের ছেলেমেয়ে দের হারাচ্ছি তেমনি এলাকাও অসম্মানজনক স্থানে নিয়ে দ্বারা করেছে এই মাদক বানিজ্য।

এ বিষয়ে নাসিক ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আমি বিভিন্ন সময় এলাকাতে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করি এবং এদের কে কঠিন ভাবে শাস্তি প্রধান করি কিন্তূ এরা বার বার এই মাদক বানিজ্যেই জড়িয়ে পড়ে। অনেক বার এদের পুলিশের কাছে দিয়েছি কিছুদিন সব ঠিক থাকে আবার দেখা যায় তারা তাদের এই মাদক বানিজ্যই করে বলে শুনতে পাই যেমন টা আপনি জানালে আমি এদের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করে আমার এলাকাকে মাদক মুক্ত এলাকায় পরিবর্তন করবো ইনশাআল্লাহ এতে এলাকাবাসীর সহায়তা আমার বিশেষ প্রয়োজন তাদের তথ্যের মাধ্যমেই আমি আমার এলাকা মাদক বানিজ্যের কবল থেকে হেফাজত করতে পরবো।

তাই আমরা চাই এই মাদক কারবারি দের কবল থেকে মুসলিম জাতির শেষ ঠিকানা পাইকপাড়া ছোট ও পাইকপাড়া বড় কবরস্থান কে অতিদ্রুত রক্ষা করতে এই চিহ্নিত মাদক কারবারি রিকু, রঞ্জু, ইমন গং দের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে কঠোর আইনি উদ্যোগ গ্রহন করে শাস্তি নিশ্চিত করা। এটাই এখন ১৭নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণের দ্বাবি তে পরিনতি হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং