1. sumondomar2021@gmail.com : sumon islam : sumon islam
  2. info@www.newsibangla.com : news :
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০:১০ অপরাহ্ন

হাতের মুঠোয় জুয়া,গ্রাস করেছে তরুণ সমাজ

রশিদুল ইসলাম
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

রশিদুল ইসলাম,পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি:

উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে অনলাইন জুয়া। আশঙ্কাজনক হারে আসক্ত হয়ে পড়ছে তরুণরা
ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে লালমনিরহাট পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের তরুণরা অনলাইন জুয়ার নেশায় সর্বস্বান্ত হচ্ছেন প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ,ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইন জুয়া।

ফেসবুক চালু করলেই স্ক্রিনে ভেসে ওঠছে একাধিক অনলাইন জুয়ার পেজ। ফেসবুক আইডি, পেজ, গ্রুপ, ওয়েবসাইট ও মোবাইলভিত্তিক এনক্রিপ্টেড অ্যাপস দিয়ে চলছে জুয়ার এ সাইটগুলো।

এতে লোভে পড়ে বিভিন্ন বয়সের শ্রেণী পেশার মানুষ , বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও বেকার তরুণেরা এই জুয়ায় বেশি আসক্ত হচ্ছেন। জুয়ার নেশায় বুঁদ হয়ে সর্বস্ব ভারাতে বসেছেন তাঁদের অনেকে। এ ভারণে বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি ও দাম্পত্য কলহ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পৌর এলাকা থেকে শুরু করে উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোয় এই জুয়া বিস্তার লাভ করছে। সহজে প্রচুর টাকা উপার্জনের লাভে পড়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বয়সের অসংখ্য মানুষ এই জুয়ায় জড়িয়ে পড়ছেন। তরুণদের অনেকেই কৌতূহলবশত এই খেলা শুরুর পরেই নেশায় পড়ে । প্রথমে লাভবান হয়ে পরবর্তী সময় খোয়াচ্ছেন হাজার হাজার টাকা। অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গছে, স্মার্টফোনে নির্ধারিত কয়েকটি অ্যাপস ডাউনলোড করে সেখানে জুয়া খেলা চলে। বিভিন্ন নামের প্রায় ১০ থেকে ১২টির মতো অ্যাপসে সবচেয়ে বশি জুয়া খেলা হয়। এসব অ্যাপসে -১০ টাকা থেকে শুরুকরে যেকোনো অঙ্কের টাকা দিয়ে শুরু করা যায়। জড়িত ব্যক্তিরা বলছেন, এসব অ্যাপসের বেশির ভাগই পরিচালনা
করা হচ্ছে রাশিয়া, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে। বাংলাদেশে এগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধি (এজেন্ট) রয়েছে। পাটগ্রাম উপজেলার প্রায় প্রতিটি বাজারেই রয়েছে এই ধরনের এজেন্ট। তারা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জুয়ায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ বা প্রদান করে থাকে। এজেন্টরা বিদেশি অ্যাপস পরিচালনাকারীদের কাছ থেকে হাজারে কমপক্ষে ৪০ টাকা কমিশন পায়। এজেন্টদের মাধ্যমেই বিদেশে টাকা পাচার হয়।
নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একজন বলেন,
চলতি বছরের এক পল্লী চিকিৎসক, প্রথমে ১০০ টাকা বিনিয়োগ করে ৫০০ হাজার টাকা পান তিনি। এতে লোভে পড়ে এই খেলায় মারাত্মক আসক্তি চলে আসে তাঁর। গত ১ বছর এই জুয়ার নেশায় পড়ে অনেক টাকা ভিনিস করছি,১৫ দিন আগে মোটরসাইকেল বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি।এখন জমি বিক্রি করে মোটরসাইকেল ছাড়ে নিয়ে আর খেলবেন না বলে জানান।

এ বিষয়ে পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্স (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, আমরা বিভিন্ন ভাবে জানতে পারি অনলাইন জুয়ার খবর, তবে কেউ আমাদের লিখিত অভিযোগ দেয় যদি কেউ লিখিত দেয় তাহলে আমারা জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং