1. sumondomar2021@gmail.com : sumon islam : sumon islam
  2. info@www.newsibangla.com : news :
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শেকড়ের সন্ধানে শীর্ষক সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সপ্তম মিলনমেলা ফুলবাড়ীতে জাতীয় ভোটার দিবস পালিত কচুয়ায় খামারে অগ্নিসংযোগ এবং পুকুরে বিষ প্রয়োগ আগুনে পুড়ে মারা গেল মির্জাপুরের মেহেদী বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি’র নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর। নাঃগঞ্জে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বইমেলায় কবিদের উত্তরীয় দিয়ে বরণ। চিলাহাটিতে খাসি মোটাতাজকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল পদকে ভূষিত হলেন বরগুনার পুলিশ সুপার মোঃ আবদুস ছালাম নড়াইলের শান্তা সেনের মেডেকেল শিক্ষা জীবন সম্পন্ন করতে দারিদ্র বাবা-মায়ের দুঃশিন্তা রংপুরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামীর আমৃত্যু কারাদণ্ড

হাজার বছরের ঐতিহ্য কাঁসা-পিতল শিল্পবিলুপ্তির পথে

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন,ধামরাই(ঢাকা): ধামরাইয়ে কাঁসা-পিতল শিল্পের এই যাত্রা শুরু হয় পাল বংশের আমলে। হাজার বছরের বেশি সময়ের ইতিহাসের সাক্ষী ধামরাইয়ের ঐতিহ্যবাহী এই কাঁসা-পিতল শিল্প। বর্তমানে বিশ্ববাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকার পরও সঠিক প্রচারণা ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বাজার পাচ্ছে না এই শিল্প। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে এই শিল্প।অভিজ্ঞ শিল্পীর গভীর মনোযোগ,বয়সী হাতে নিখুঁতভাবে তৈরি হচ্ছে ভাস্কর্য। মোমের তৈরি এই মডেলের ওপর প্রথমে মাটির প্রলেপ দেয়, যখন শক্ত আকার ধারণ করে তখন দেওয়া হয় মোমের প্রলেপ। এরপর মোম গলে ভেতরটা ফাঁপা হয় আর সেখানে গলিত কাঁসা ঢেলে দেয়া হয়। আবারও চলে ঠুকঠাক হাতের ছোঁয়ার নিপুণ কারুকাজ। এরপর ঠাণ্ডা হলে পলিশ করা হয় ‘এন্টিক লুক’ আনার জন্য।
এভাবেই তৈরি হয়ে গেলো কাঁসা-পিতলের তৈজসপত্র ও ভাস্কর্য। যার চাহিদা ও সুনাম দেশ ছাপিয়ে বিশ্বব্যাপী।সরেজমিনে দেখা যায়, ধামরাই পৌর শহরের গোপনগর এলাকার ভরণ কারখানার মহাদেব নামে এক ভরণ শিল্পি আপন মনে কাজ করছেন। এ শিল্প সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাজ খুবই কম, অন্য কাজ আর পারি না তাই এই কাজ করি। জীবন প্রায় শেষের দিকে,সারা জীবন ধরেই এই কাজ করতাছি। দিন শেষে মজুরি পাই ২৫০-৩০০ টাকা এই টাকা দিয়া অহন আর সংসার চলে না।লাল মিয়া নামে এক কারিগর জানান, মাসে একবার কাজের ডাক পাই তাও আবার দশ দিনের বেশি কাজ করার সুযোগ পাই না। দিন শ্যাষে মজুরি যা পাই তাতে সংসার চালানো যায় না। আগে ম্যালা কাজ পাইতাম মজুরিও পাইতাম বেশি। অহন মজুরি কম আবার জিনিসপত্রের দাম বেশি।কারখানার মালিক ক্ষিতিশ ঘোষ বলেন, আগে ধামরাইয়ে প্রায় ৩০০ কারখানা ছিলো এখন আছে হাতে গুনা দুই তিনটা। কাঁচামালের ঘাটতি আর গ্যাস সমস্যার কারণে উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। গ্যাস পাইনা কিন্তু মাস শেষে গ্যাসের বিল ঠিকই দিতে হয়। ভরণের মাল ভরতে একজন কারিগরকে ৭০০ টাকা দিতে হয় তাই আমি নিজেই মাল ভরণের কাজ করি।এখন বদনা বানাই না শুধু ঘটি আর পালি বানাই। মালের চাহিদা ঢাকাতে নাই, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, নওগাঁর দিকে মাল সরবরাহ করি।ধামরাই বাজারে রথখোলা এলাকা কাঁসা-পিতল পণ্য বিক্রির দোকানগুলো রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এক দশক আগেও শতাধিক শিল্প- কারখানা ছিল ধামরাইতে। কিন্তু এখন হাতেগোনা দু-তিনটি টিকে আছে। বাকিগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। যেগুলো টিকে আছে তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো সুকান্ত বণিকের কারখানাটি। পাঁচ পুরুষের বনেদি ব্যবসার হাল ধরে রেখেছেন সুকান্ত বণিক। পড়ে আছেন মৃতপ্রায় ব্রাশ মেটাল শিল্প বা কাঁসা-পিতলের শিল্প নিয়ে।ধামরাইয়ের বিখ্যাত রথটি পার হলেই হাতের ডানেই দেখা যায় রাশেদা মোশাররফের পিতলের বড় শো-রুম। দোকানের ভেতরে ঢুকেই চোখে পড়ে সারি সারি পিতল দিয়ে বানানো নানা ধরনের ভাস্কর্য। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনীর নানা ধরনের চরিত্র এখানে এসে বাস্তব রূপ পেয়েছে। বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তি, রাধা-কৃষ্ণ, অবতার, নটরাজ, উমা মহেশ্বর, কালিয়া কৃষ্ণ, স্বর্পছায়ায় বিষ্ণু, তারা, ত্রিনাথ, শিব, পার্বতী- এসব নানা বিগ্রহের বিশাল সম্ভার রয়েছে এখানে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং