1. sumondomar2021@gmail.com : sumon islam : sumon islam
  2. info@www.newsibangla.com : news :
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
তজুমদ্দিনে “মহান শহীদ দিবস” ও “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” পালিত হয়েছে হাতীবান্ধায় মাদকসহ জলঢাকা পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আটক নড়াইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত।এসপি মেহেদী হাসান পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রভাত ফেরী অনুষ্ঠিত ও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন চাঁপাই প্রেসক্লাবের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন লালমোহনে “মহান শহীদ দিবস” ও “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” পালিত হয়েছে সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হলো জসিম পল্লী মেলা ৬ নং মাড়েয়া বামন হাট ইউনিয়নে ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাজ্ঞাপন দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বিজিবি কর্তৃক ৮ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস ভাঙ্গায়  ৩ দিন ধরে এক স্কুল ছাত্র নিখোঁজ

নওগাঁ নিয়ামতপুরে বসতে শুরু করছে গুজিশহর প্রেম গুসাই মেলা২০২৪

অনলাইন ডেক্স
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৪৩ বার পড়া হয়েছে

নুরনবি হাসান ( নিয়ামতপুর) সংবাদাতা: নওগাঁ নিয়ামতপুরে বসতে শুরু করেছে প্রেম গুসাই মেলা গ্রাম বাংলার মেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরের ন্যায় মেলাটি বসছে।এমেলাই শিশু-কিশোরদের আনন্দ-বিনোদনের জন্য সার্কাস যাত্রাপালা। মোটরসাইকেল কার খেলা একাধিক নাগরদোলা।

এই মেলা ঘিরে জামাতা ও আত্মীয়স্বজনকে আমন্ত্রণ করে আপ্যায়ন করার রেওয়াজ রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। বাড়িতে বাড়িতে বানানো হয় বাহারি পিঠা। মেলা থেকে মিষ্টি কিনে এনে মেয়ে, জামাতা ও আত্মীয়স্বজনদের খাওয়ানোর রেওয়াজ ধরে রেখেছে এলাকাবাসী।

গুজিশহর গ্রামের বাসিন্দা রহিমা বলেন, ‘হামাগের জন্মের পর থ্যাকে এই মেলা দেখে আসোছি। হামাগের বাপ-দাদারাও কতে পারেনি কবে থেকে এই মেলা শুরু হছে। আগে এই মেলায় মাটির তৈরি বাসনকোসন পাওয়া য্যাত। এখনো মাটির তৈরি বাসনকোসন লিয়ে কিছু কিছু দোকান বসে, কিন্তু আগের মতো লয়। মাটির হাঁড়ি-পাতিল ঝোলানোর জন্য পাটের তৈরি শিকি পওয়া য্যাত আগে। সেই শিকি অ্যাখন আর পাওয়া যায় না।’

মেলা নিয়ে প্রচলিত গল্পটি বলেন স্থানীয় বাসিন্দা প্রবীণ মহেন্দ্রনাথ বর্মণ। তিনি বলেন, ‘গুজিশহর উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে একটি শতবর্ষী বটগাছ আছে। শত বছর আগে সেই গাছের তলায় একজন ঠাকুর বসতেন। তিনি অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। তাঁর কাছে মানুষ এসে কোনো প্রার্থনা করলে সেটা পূরণ হতো। সেখান থেকে এই মেলা শুরু।’

মেলার আয়োজক কমিটি থেকে জানা যায প্রতিবছর পৌষসংক্রান্তির দিনে মেলাটি বসে। চলে এক মাস ধরে। এ জন্য আগাম কোনো ঘোষণা দেওয়া হয় না। ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে একই দিনে মেলাটি বসছে। দূরদূরান্তের মানুষ এখনো আসে মেলায় যোগ দিতে। সে কারণে সব ধরনের সুবিধা রাখতে আয়োজক কমিটি প্রায় এক মাস আগে সব প্রস্তুতি নিয়ে থাকে। এবারও সে রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মেলার নিরাপত্তার জন্য সারা দিন পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এই মেলা থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে গুজিশহর মসজিদ, মন্দির, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাইস্কুলের উন্নয়ন করা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং