1. sumondomar2021@gmail.com : sumon islam : sumon islam
  2. info@www.newsibangla.com : news :
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০:২৭ অপরাহ্ন

দেড় বছর আগে ভেঙেছে ব্রিজ, মেরামতের উদ্যোগ না থাকায় ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

আল হেলাল চৌধুরী
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

আল হেলাল চৌধুরী, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের বারাইপাড়া গ্রামের সাথে খয়েরবাড়ী বাজারের যোগাযোগর একমাত্র রাস্তার উপরে নির্মিত লোহার বেইলী ব্রীজটি প্রায় দেড় বছর আগে ভেঙ্গে পড়ে আছে। এতে যানবাহন নিয়ে চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এলাকার মানুষসহ পথচারিরা। দ্রুত ব্রীজটি নির্মানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পথচারীরা।

উপজেলার খয়েরবাড়ী ও দৌলতপুর ইউনিয়নের ফসলি জমির পানিবদ্ধতা নিরসনে ২০২০ সালে পানি নিস্কাশনের প্রয়োজনে দৌলতপুর ইউনিয়নের বারাইপাড়া এলাকায় ৯০০ ফুট ক্যানেলসহ সড়কের ওপর বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। সেই বেইলী ব্রীজটি প্রায় দেড় বছর আগে বর্ষার পানিতে ভেঙ্গে পড়ে। সেই সময় উপজেলা প্রকৌশলীর লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত ব্রীজটি সংস্কারের কোন উদ্যোগ দেখতে পাওয়া যায় নাই। বর্তমানে স্থানীয় পথচারীরা পশেই বিকল্প রাস্তা নির্মান করে অতি কষ্টে যাতায়াত করছেন।

স্থানীয় পথচারী ও এলাকাবাসীরা বলেন, আমাদের এই এলাকার ১০ গ্রামের মানুষ এই রাস্তাটি দিয়ে খয়েরবাড়ী বাজারে যাতায়েত করে থাকে। ক্যানেল নির্মানের পূর্বে সবকিছুই ভালোই ছিলো। ক্যানেল নির্মানের পর ক্যানেল দিয়ে নদীতে পানি পড়ে শুরু করে এতে পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় দেড় বছর আগে এই ব্রীজটি পানির স্রোতে ভেঙ্গে পড়ে। সেই সময় উপজেলা থেকে কিছু লোকজন এসে দেখে গেছে। কিন্তু কোন কাজ করে নাই। ফলে ব্রীজ না থাকায় আমরা কঠিন দুর্ভগের মধ্যে পড়েছি । বর্ষার সময় তো একবারেই চলাচল করা যায় না। আমরা চাই সরকারের উচ্চ পর্যায়ের লোকজন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যেই ব্রীজটি যাতে নির্মান করে, এমনটাই দাবি করেন স্থানীয় এলাকাবাসীসহ পথচারিরা।

ব্রীজের সংস্কার বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ শফিউল ইসলাম এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, ব্রীজটি এলজিইডি‘র আইডি ভুক্ত রাস্তা। বর্তমানে এলজিইডির কোন অর্থ না থাকায় আমরা স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত করে ত্রান মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ব্রীজটি নির্মানের চেষ্টা করছি। ইতমধ্যেই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশা করছি মাস দুই এক এর মধ্যে ব্রীজটি নির্মানে যেতে পারবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং